Nov 11, 2009

একা

আমারও খুব ইচ্ছে করে
হাঁটি-- সন্ধ্যা মুছে, অন্ধকারে
চাঁদকে নামাই লেবুগাছের ছাদে
নতুন জামার বিকেল বেলার কৃষ্ণচূড়া
রঙ এঁকে নিই আলপনা দেই হাতে



আমার অনেক ইচ্ছে করে
আবোল তাবোল ময়না পাখি
বেড়াল ছানা খয়রি রঙের রাখতে চেপে বুকে
নদীর জলের মেঘের আলোর মরচে ধরা
একটি ছবি আঁকি

পাখনা এঁকে শীত সরালীর
শীতের শেষে ওদের সাথে উড়ে
উড়ে উড়ে উড়ে উড়ে
মাটির বুকে একটি যেন শুকনো পাতা
হারাই যেনো তেমনি করে অনেক দূরে

আমার যে খুব ইচ্ছে করে
পালক হাতে আলগোছে খুব
জলের মতোন আঁজলা ভরে
ঘূর্ণি হাওয়ায় উড়িয়ে দিয়ে ঘুড়ি
নৌকা হয়ে হারিয়ে যাই ঝড়ে

ঘরের কোণে গানের মতো বেজে বেজে অকারণে
থেমে যাওয়ার অনেক আগে
চিৎকারে সব জানলাগুলোর কাঁচের গুঁড়ো ছড়িয়ে দিতে
জানালা নয় আমার অনেক
বাতাস হতে ইচ্ছে করে

2 comments:

mahmud faisal said...

আমার যে খুব
বাতাস হতে ইচ্ছে করে


কী চমৎকার ইচ্ছে! :D
খুব দারুণ লাগলো এই কবিতা!
মনে হচ্ছিল একটা স্নিগ্ধ আবেশে যেন কোথায় হারিয়ে যাচ্ছিলাম! আপু দারুণ লিখেছেন! :)

এখনও যেন প্রকৃতির সেই পরশটা লেগে রয়েছে আমার মনটাতে... কবিতায় যেটা পেলাম!

অন্দ্রিলা said...

ধইন্যোবাদ। বড়ই শর্ম পাইলাম।