Jul 3, 2011

নৈশ

অনেক রাতে একটু জোরে জুগুলেইটর চালিয়ে দিলে দরজার ফাঁক দিয়ে ছোট্টো শাদা ভুতের মতো আমার বিড়ালটি উঁকি দেয়। ঠিক তখনি আমি দেখি আমার ব্লগে কালো ভার্চুয়াল বিড়ালটির বুকের ওঠানামা, জীবিত বিড়ালের মতোই দ্রুত ও নিখুঁত। শাদা বিড়ালটি ঘুমাতে চলে যায়। কালো বিড়ালটি আগ্রহ নিয়ে আমার মুখের দিকে তাকিয়ে থাকে। আমিও তার দিকে তাকিয়ে থাকি। শুনতে পাই দূরে কেউ মন্ত্রোচ্চারণের মতো প্রতিশ্রুতি দিতে থাকে, একদিন তোর কথা শুনবে নদী। আসলে আমি ক্যাথেড্রাল স্পায়ারস গতকাল রাতে শুনছিলাম। আজকে শুনছি অর্ণব। প্রথম সাড়ে পাঁচটা বাক্য গতকালকে লেখা। এটি কোনো সাই-ফাই হররের সূচনা ছিলো। আজকে আবার এটি কেবলই একটি আমিত্বপূর্ণ ব্লগ। শাদা বিড়ালটি আজকে আহত ক্লান্ত। আজকে সে আর এসে উঁকি দেবেনা। আজকের রাতটি এতো নিঃশব্দ, একে প্রায় শীতের রাত বলে ভ্রম হয়। রাতের নিস্তব্ধতা যেনো হাত দিয়ে স্পর্শ করা যায়, আহত বিড়ালের দুঃস্বপ্নের মতো কোমল, যেনো কোনো সাদা পাখি এখনি ডানা ছড়িয়ে উড্ডীন হবে। বস্তুত আমি এক নৈশী ব্যক্তি, যদিও সকালে জেগে রাতে ঘুমিয়ে দিন অতিক্রান্ত করি। একাধিক্রমে তিন রাত জাগরণের সুযোগ পেয়ে তরতাজা, চুলের মূলের সাবলীল উকু্নের গতির মতো অনুভব করে যাচ্ছি কিছু অদ্ভুত ইন্সপিরেশান।

2 comments:

jonantik said...

কয়েকটা লাইন দুর্দান্ত লাগলো-

আজকের রাতটি এতো নিঃশব্দ, একে প্রায় শীতের রাত বলে ভ্রম হয়।

চুলের মূলের সাবলীল উকু্নের গতির মতো অনুভব করে যাচ্ছি

লেখা ভালো লাগছে। স্টাইলের একটু একটু পরিবর্তনও চোখে লাগছে। লেখার কলেবর মনে হয় আরো একটু বাড়তে পারে, নাকি ?

অন্দ্রিলা said...

স্টাইলের পরিবর্তন?! সৈয়দ হক শহিদুল জহির খায়া ফেলতেসে আমারে :'(