আজিজ গিয়ে আজকে দুইটা কবিতার বই কিনতে চাইলাম। বইয়ের দোকানদার ডেঁপো ছেলেটি, দাম আমার থেকে না নিয়ে নিলো টুটুল ভাইয়ের কাছে থেকে। সে আমাকে গত দুই তিন বছরে যতো কবিতার বই কিনে দিয়েছে, তার যে'কটি পাতা আমি পড়েছি, তা দেখলে নির্ঘাত আমাকে মাইর দিয়া ভর্তা করবে। আমার মনে হয় কবিতার গ্রন্থ বিক্রি না করে কার্ডের মতো করে কবিতা বিক্রি করা দরকার। একটা কবিতা সম্বলিত একটা কার্ড ৫টাকা। আমি কিছুতেই এক সিটিংয়ে দুইতিনটার বেশি কবিতা পড়তে পারিনা। দেখা যায় অনেক পাতা উল্টায় উল্টায় হঠাত কোনো পাতায় একটা লেখা ভালো লাগলো ওইটা পড়লাম। তারপর আর কোনোটা পড়া হইলোনা। পরে আবার ওই বইটা বের করলে সেই আগের পছন্দ হওয়া কবিতাটাই পড়ি। আজকের একটা বইয়ের কয়েকটা লেখাই পড়া হয়ে গেলো। একটা তুলে দিচ্ছি।
Showing posts with label গিয়ানী পোস্ট. Show all posts
Showing posts with label গিয়ানী পোস্ট. Show all posts
Oct 29, 2011
বইপাওয়া
ট্যাগঃ
উৎপলকুমার বসু,
এমনি,
গদ্য,
গিয়ানী পোস্ট,
দৈনন্দিন,
লেখালিখি
Sep 20, 2011
বইপড়া
| আমার জানালায় কিছু বিষণ্ণ রাজহাঁস/ বৃষ্টিতে ভিজবে, সারারাত |
এই ছবি দেখে, ছোটোবেলার পছন্দের বইয়ের কথা মনে উঠলো। আইরিশ রুপকথা, ১৯৯২ সালের একুশে বইমেলা থেকে কেনা, নিজের হাতে মলাট দেওয়া। হার্ডবাইন্ডিংয়ের মোটা বইটিতে অনেক গল্প ছিলো। লেপ্রেকন, জলের ভুত, ডাইনি, আত্মা ইত্যাদির গল্পই বেশি। অনেকগুলা গল্পে ও'নীল নামে একটি চরিত্র থাকতো। সম্ভবত এই বইতে গল্পটি পড়েছিলাম, এক রানির ছয় ছেলের পর একটি মেয়ে হয়, কিন্তু মেয়ে হওয়ার পর ৬ ছেলে রাজহাঁস হয়ে উড়ে যায়। তারপর নানা কাহিনির মধ্যে দিয়া ৬ ভাই হাঁস আবার মানুষ হয়। এই গল্প পছন্দ ছিলো।
Jul 26, 2011
Jul 20, 2011
Paper War
Papierkrieg from Makaio Tisu on Vimeo.
Boy: My Airplane is the best one in the whole world. It even has a Jet engine!
Girl: Mine has a supercannon, which shoots fireballs!
Jul 19, 2011
পুরান লেখা+ নতুন লেখা
পুরান লেখা
অতুল অবনী অমল, আশুতোষ পরিতোষ, নবীন, গোবিন্দ সমুদ্রে বেড়াতে যায়। সেখানে গিয়ে তারা শখ করে আচার খায়। অমল খায়না। অতঃপর তারা সমুদ্রে, স্নানে ব্যস্ত হয়ে যায়। হোটেলে ফিরে অমল স্নানে যায়। অতুল ঘুমিয়ে পড়ে। নবীন অপরিমিত হাসতে থাকে। দেখে সবাই ভাবে আমার না জানি কী হবে। ভাবতে ভাবতে আশুতোষের হ্যালুসিনেশান হয়। তার মাথা থেকে আরেকজন আশুতোষ বের হয়ে আসে। এবং কল্পনা ভাঙার আগেই আশুতোষ১কে মেরে খেয়ে ফেলে। এই ঘটনা বাস্তবে হওয়াতে নবীন পরিতোষ অবনী গোবিন্দ এগুলি দেখতে পায়। তাদের সাথেও তখন একই ঘটনা ঘটে। অমল বাথরুম থেকে বের হয়ে কিছু বুঝতে পারেনা। অতুল স্বপ্ন দেখছিলো তারা সবাই পাহাড়ে ক্রিকেট খেলছে।
অতুল অবনী অমল, আশুতোষ পরিতোষ, নবীন, গোবিন্দ সমুদ্রে বেড়াতে যায়। সেখানে গিয়ে তারা শখ করে আচার খায়। অমল খায়না। অতঃপর তারা সমুদ্রে, স্নানে ব্যস্ত হয়ে যায়। হোটেলে ফিরে অমল স্নানে যায়। অতুল ঘুমিয়ে পড়ে। নবীন অপরিমিত হাসতে থাকে। দেখে সবাই ভাবে আমার না জানি কী হবে। ভাবতে ভাবতে আশুতোষের হ্যালুসিনেশান হয়। তার মাথা থেকে আরেকজন আশুতোষ বের হয়ে আসে। এবং কল্পনা ভাঙার আগেই আশুতোষ১কে মেরে খেয়ে ফেলে। এই ঘটনা বাস্তবে হওয়াতে নবীন পরিতোষ অবনী গোবিন্দ এগুলি দেখতে পায়। তাদের সাথেও তখন একই ঘটনা ঘটে। অমল বাথরুম থেকে বের হয়ে কিছু বুঝতে পারেনা। অতুল স্বপ্ন দেখছিলো তারা সবাই পাহাড়ে ক্রিকেট খেলছে।
ট্যাগঃ
এমনি,
গদ্য,
গান,
গিয়ানী পোস্ট,
জাঁ পল সার্ত্রে,
দৈনন্দিন,
নৈশ,
বেড়ানো
Jul 12, 2011
রাতের বেলা দরজার ফাঁকে কবিতার বদলে বিড়ালের মাথা উঁকি দেয়
রাত বাড়লে কবিতারা ভুতের ভয়ের মতো আনাগোনা শুরু করে। উপন্যাসের শেষ পাতাগুলির মতো প্রলুব্ধ করে রাত জাগতে, আলো ফুটলে অফিসের কথা ভাবতে দেয়না। মনেহয় একটু জাগলে দেখতে পাবো তাদের শরীর মুখমণ্ডল, তাদের কথোপকথন, মাথার ভিতর থেকে দৃষ্টির সম্মুখে। ফিস ফিস ফিস। কবিতার বদলে মানুষ দেখলে তুমি আমাকে বলতে সিজোফ্রেনিক। আমি একবার একটি গল্প লিখতে চেয়েছিলাম সেখানে এক ব্যক্তির ঘরের বারান্দা থেকে খুব স্বাভাবিকভাবে এক ব্যক্তি ঘরে এসে ঢোকে। এবং তারা কথা বলে। দুইজনের মধ্যে একজন অপরের কল্পনা। পরে ভেবে দেখলাম হুমায়ুন আহমেদ এরকম কিছু লেখা লিখে গেছেন এবং আমি তা রাত জেগে পড়েছি। অতএব এটি সম্ভবত আমার নিজস্ব কল্পনা হতে পারেনা। তা'হলে এমন হতে পারে তারা দু'জনেই তৃতীয় কোনো ব্যক্তির কল্পনা। বা স্বপ্ন। এমন কথা আমি বইতে পড়েছি আমাদের জগতের কারো স্বপ্ন হওয়ার সম্ভাব্যতার কথা। বা স্বপ্ন/ কল্পনা থেকে ছুটে বের হয়ে যাওয়ার কথা পড়েছি। আমাকে অপশন দিলে আমি ভাবতে পছন্দ করবো আমরা কারো স্বপ্ন। যদি না-ও হই, স্বপ্নের মতোই < অর্থহীন > নয় কি আমাদের অস্তিত্ব? আমি ভাবি জোনাকিদের কথা, তারাদের চেয়ে বেশি উজ্জ্বল ও সজীব। তারাদের সহস্র বৎসরের প্রজ্জ্বলন কি জোনাকির জীবনের চেয়ে বেশি অর্থ বহন করে ইন দ্যা লং রান? তবু পুরানো কথার পুনরুক্তিঃ মানুষ তবু বহন করে হৃদয়বেদনা। একারণে মানুষের চেয়ে বিড়াল বড়ো দার্শনিক হতে পারে। যদিও খাদ্য কোনো কোনো বিড়ালের দার্শনিক হয়ে ওঠার পথে প্রধান অন্তরায়। যেমন আমি অনেক বাড়িতে দেখেছি তাদের বিড়ালটি রান্নাঘর খাবারঘরের এলাকাতেই দিনরাত আছাড় খেয়ে পড়ে থাকে। কিন্তু কিছু কিছু বিড়াল পিকি থাকে খাবার দিয়ে যাদের মন পাওয়া যায়না। যেমন আমার বিড়াল গোপাল :D
Feb 16, 2011
Random
আজকে পড়লাম কুলায় কালস্রোত। লেখক শওকত আলী। ১৯৭৭ সালে সাপ্তাহিক বিচিত্রার ঈদ সংখ্যায় বের হয়েছিলো। আমি কিনেছি মুক্তধারা থেকে ১৬ টাকা দিয়ে।
অবস্থানঃ
West Rampura, Dhaka, Bangladesh
Subscribe to:
Posts (Atom)
