রাত বাড়লে কবিতারা ভুতের ভয়ের মতো আনাগোনা শুরু করে। উপন্যাসের শেষ পাতাগুলির মতো প্রলুব্ধ করে রাত জাগতে, আলো ফুটলে অফিসের কথা ভাবতে দেয়না। মনেহয় একটু জাগলে দেখতে পাবো তাদের শরীর মুখমণ্ডল, তাদের কথোপকথন, মাথার ভিতর থেকে দৃষ্টির সম্মুখে। ফিস ফিস ফিস। কবিতার বদলে মানুষ দেখলে তুমি আমাকে বলতে সিজোফ্রেনিক। আমি একবার একটি গল্প লিখতে চেয়েছিলাম সেখানে এক ব্যক্তির ঘরের বারান্দা থেকে খুব স্বাভাবিকভাবে এক ব্যক্তি ঘরে এসে ঢোকে। এবং তারা কথা বলে। দুইজনের মধ্যে একজন অপরের কল্পনা। পরে ভেবে দেখলাম হুমায়ুন আহমেদ এরকম কিছু লেখা লিখে গেছেন এবং আমি তা রাত জেগে পড়েছি। অতএব এটি সম্ভবত আমার নিজস্ব কল্পনা হতে পারেনা। তা'হলে এমন হতে পারে তারা দু'জনেই তৃতীয় কোনো ব্যক্তির কল্পনা। বা স্বপ্ন। এমন কথা আমি বইতে পড়েছি আমাদের জগতের কারো স্বপ্ন হওয়ার সম্ভাব্যতার কথা। বা স্বপ্ন/ কল্পনা থেকে ছুটে বের হয়ে যাওয়ার কথা পড়েছি। আমাকে অপশন দিলে আমি ভাবতে পছন্দ করবো আমরা কারো স্বপ্ন। যদি না-ও হই, স্বপ্নের মতোই < অর্থহীন > নয় কি আমাদের অস্তিত্ব? আমি ভাবি জোনাকিদের কথা, তারাদের চেয়ে বেশি উজ্জ্বল ও সজীব। তারাদের সহস্র বৎসরের প্রজ্জ্বলন কি জোনাকির জীবনের চেয়ে বেশি অর্থ বহন করে ইন দ্যা লং রান? তবু পুরানো কথার পুনরুক্তিঃ মানুষ তবু বহন করে হৃদয়বেদনা। একারণে মানুষের চেয়ে বিড়াল বড়ো দার্শনিক হতে পারে। যদিও খাদ্য কোনো কোনো বিড়ালের দার্শনিক হয়ে ওঠার পথে প্রধান অন্তরায়। যেমন আমি অনেক বাড়িতে দেখেছি তাদের বিড়ালটি রান্নাঘর খাবারঘরের এলাকাতেই দিনরাত আছাড় খেয়ে পড়ে থাকে। কিন্তু কিছু কিছু বিড়াল পিকি থাকে খাবার দিয়ে যাদের মন পাওয়া যায়না। যেমন আমার বিড়াল গোপাল :D
Showing posts with label স্বপ্ন. Show all posts
Showing posts with label স্বপ্ন. Show all posts
Jul 12, 2011
Jun 26, 2011
জুলাই
আপচুস আমরা গানগুলিকে কথায় লিখতে পারিনা এবং রঙগুলিকে কানে শুনতে পারিনা এবং যদিও শব্দগুলিকে মাঝেমাঝে চোখে দেখতে পারি বলে আমি জলের শব্দ শুনি এবং ভাবি সমুদ্রে দূরের জলে তিমির দল যদিও তা আমি তোমাকে কথায় লিখে বোঝাতে পারবোনা কিন্তু মাথার ভিতরে কেবলি তিমিরা ছুঁড়ে দেয় জলের ফোয়ারা এবং তা এই রাতের অন্ধকারের পটভূমিতে নীলাভ আলোর আতশবাজিতে বিচ্ছুরিত হয় কিন্তু এই সেলিব্রেশান আমার নিঃসঙ্গ নিজস্ব আমি তা কারো কাছে পৌঁছে দিতে পারিনা কারণ আমরা দূরের কোনো অচেনা শহরে জানালায় ফুলের পাহারায় বৃষ্টিবন্দী হয়ে নেই।
| masochistmimes |
Nov 4, 2010
Sep 14, 2009
টুকরো টুকরো
ক্লাস বাদ দিয়ে জিকোর সাথে হাঁটছি সেন্ট্রাল লাইব্রেরির সামনে। সন্ধ্যা হবে। জিকো পরেছে বাংলার মেলার ফতুয়া। তাকে জামাই জামাই লাগে। আমার পায়ের উপর ঝুপ করে কীযেনো পড়লো। নরোম কাঠবিড়ালী। থমকে আবার ঝুপ ঝুপ করে উঠে গেলো। এ'রকম আমার সাথে আগেও হয়েছে। চারুকলায়। নিটশে বলছেন পুরানো ঘটনা বারবার ঘটে, আমি ভাবি। আর ভাবি ভাগ্য ভালো, আমি মারা গেছি। তাই আমাকে আর জিকোর সাথে হাঁটতে হয়না। ভেবে হেঁটে হেঁটে চলে গেছি ব্রিটিশ কাউন্সিলের কাছে। দেখি জয়ন্ত। খুশি হয়ে আমাকে ধরে একটা ঝাঁকুনি দেয়। বলে বাইকে উঠ। আমি বললাম, কই যাবি? বলে বইমেলা। আমি বলি না'রে, অনেক রোদ। আর মানুষ। সে ধমক লাগায়। জামাইয়ের লগে তো রোজ বইমেলাতেই প্রেম করতে যাইতে পারো, আর আমার লগে একদিন গেলে রোদে পুইড়া যাইবাগা? আমি লজ্জা পাই। বলি চল। তুই দেশে কবে আসলি? কালকে। আমার ভিড় একটু ভয় লাগে। তাই জয়ন্ত ধরে রাখে আমার হাত। আর আমি এদিকে ওদিকে তাকিয়ে খুঁজি টুটুলকে। শেষপর্যন্ত ওকে আমরা খুঁজে পাই বর্ধমান হাউজের সিঁড়িতে। গালে হাত দিয়ে বসে কবিতা লিখছে। আমাদেরকে দেখে টুটুল লজ্জা পায়। হাসে। তারপরে আমরা তিনজন মিলে শর্মা হাউজে গেলাম। বাইরে বের হয়ে দেখি সুন্দর একটা সকাল হচ্ছে। মন অনেক ভালো হয়ে গেলো।
Jun 21, 2009
কী সব স্বপ্ন
ট্রেনে করে যাচ্ছিলাম, তারপরে গাড়িতে। আবার যাচ্ছি দারজিলিং। আমাদের সেই আদি অকৃত্রিম দারজিলিং গ্রুপের সাথে। আগের অনেকবারের মত আমি আর টুটুল সামনে, ড্রাইভারের পাশে বসেছি। তপতীদিদি আমাকে শানের কনসার্টে যাবার কথা বলেনাই, তাই সরি বলার জন্য আমাকে একটা গিফট দিলো। সুন্দর র্যাপিং করা একটা প্যাকেট, মনে হয় ভেতরে আছে শেভ্রনের ডাইরি।
Subscribe to:
Posts (Atom)
