Showing posts with label নৈশ. Show all posts
Showing posts with label নৈশ. Show all posts

Aug 5, 2015

লক্ষ্মীকে ভাসিয়ে দিয়ে এসে

রাত এলে খুব সেই দেশের কথা মনে পড়ে যে দেশে কখনো যাইনি
ভোর হলে মন খারাপ লাগে, রাতটা শেষ হয়ে গেল
কত নরোম রাতের পর এলো কতো সুকোমল ভোর
তবু দিন এসে ট্রাকচাপা দিয়ে গেল টুনটুনির নাচগানগুলি

তুমি যদি আজ শিমুলবনের পথে চলে যাও, তবে এখনো হয়তো দেখতে পাবে সেদিনের ঝরাপাতা
পাতার আড়ালে আছে লক্ষ্মীর পায়ের ছাপ
চালগোলা জলে আঁকা, শাদা যেন টগরের ফুল
যদিও সব টগর সমুদ্রে চলে গেছে নদীর মন্থর জলে ভেসে

তুমি যদি আজ শিমুলবনের পথে চলে যাও, ক্যামেরা সাথে নিয়ে যেও।
পাতার স্তূপের নিচে সাপেরা দিয়েছে শীতঘুম
তাদেরকে ঘুমুতে দিয়ে আরো কিছু দূরে চলে যেয়ো
সেখানে দেখতে পাবে দিদিমার শুম শাম বাড়ি

বুড়ির ঘোলাটে চোখ, ক্যামেরাতে আসবে কি ভাল?
তবে কিছু ছবি এনো, ছবি এনো খড়ের গাদার
বাঁশবন, পানপাতা, শিমফুল, সব ছবি এনো
এলবাম ওল্টাবো লক্ষ্মীকে ভাসিয়ে দিয়ে এসে।

Jan 29, 2015

নতুন পাতার দিন


একদিন একটা পাখি।
ভাবছিল উড়ে যাবে আকাশে
কিংবা বসবে একটা গাছের পাতায়।

Feb 19, 2012

The heart's memory eliminates the bad...


ইশরে শীতকালটা চলেই গেলো। চলে যাওয়া শীতকাল, তোমার জন্য আমার মন খারাপ লাগতেসে। তুমি আবার আইসো।

Oct 21, 2011

বিলাইচরিত

বাসায় থেকে রাত জেগে দেখলাম, রোজ ভোর সাড়ে চারটার দিকে আমার বিলাই বাবাজির খুব খিদা লাগে। তখন সে সব রুমে যেয়ে সবার বিছানার চারপাশে ঘুরে মেও মেও করে। কিন্তু কারো ঘুম ভাঙেনা। বেচারা খাবার পায় সকাল আটটা সাড়ে আটটার দিকে। 

Oct 14, 2011

১০০

একটা ক্লান্তি আছে
গোপনে থাকে
কোণে
নড়ে চড়ে
অজাত শিশুর মতো
জানান দেয়
যেনো
কোনো ব্যক্তি
অব্যক্ত ব্যথার মতো
গোপন
একটা ক্লান্তি

Sep 20, 2011

বইপড়া

আমার জানালায় কিছু বিষণ্ণ রাজহাঁস/ বৃষ্টিতে ভিজবে, সারারাত
এই ছবি দেখে, ছোটোবেলার পছন্দের বইয়ের কথা মনে উঠলো। আইরিশ রুপকথা, ১৯৯২ সালের একুশে বইমেলা থেকে কেনা, নিজের হাতে মলাট দেওয়া। হার্ডবাইন্ডিংয়ের মোটা বইটিতে অনেক গল্প ছিলো। লেপ্রেকন, জলের ভুত, ডাইনি, আত্মা ইত্যাদির গল্পই বেশি। অনেকগুলা গল্পে ও'নীল নামে একটি চরিত্র থাকতো। সম্ভবত এই বইতে গল্পটি পড়েছিলাম, এক রানির ছয় ছেলের পর একটি মেয়ে হয়, কিন্তু মেয়ে হওয়ার পর ৬ ছেলে রাজহাঁস হয়ে উড়ে যায়। তারপর নানা কাহিনির মধ্যে দিয়া ৬ ভাই হাঁস আবার মানুষ হয়। এই গল্প পছন্দ ছিলো।

Sep 4, 2011

চল মিনি আসাম যাবো

ধেৎ কিছু ভালো লাগতেসেনা। যামুগা আমি এই দেশ থিকা। ইচ্ছা করে আমিও গোপালকে নিয়া আসাম যাইগা। পাত তুললেই টাকা পাবো। 


Sep 2, 2011

কী লিখি তোমায়

কিছু লিখতে অনেক ইচ্ছা করতেসে। কী লিখি? এখন আমার অফিস নাই, পরীক্ষা শেষ পড়াশুনা নাই, সারাদিন ঘুমাই, আর খাই, আর মাঝেমাঝে সিনেমা দেখি, বা দেখিনা।

আমার একটা বিড়াল আছে। জন্মের পর থেকে তার অবশ্য একই রুটিন। খায় ঘুমায়। অবশ্য মাঝেমাঝে বাইরে গেলে মাঝেমাঝে রাস্তার বিড়াল এবং উৎকট মানুষজনের হাতে মাইর খেয়ে আসে।

মাইর খাওয়া বাদ দিলে আমি এখন বিড়াল লাইফ লিড করতেসি। বাইরে যাইনা তাই মাইর খাইনা। ভালৈ।

Aug 31, 2011

টুটুলের জন্য কবিতা

কূয়ার ভিতর তাকিয়ে দেখি জল
জলের ভিতর মুখ
মুখের ভিতর দুঃখ

দুঃখগুলো হাতড়ে দেখি স্মৃতি
স্মৃতির ভিতর মুখ
মুখের চোখে জল
জলের ভিতর কূপ

গভীর কূপ স্মৃতিতে ডুবে থাকে

যে মারা যাবে

আত্মহত্যা কেবল একটা বিশ্রী ছবি
আর কিছু না।

এর চেয়ে কতো বিশ্রী জিনিশ রোজ দেখো
বিষাদ, প্রত্যাখ্যান, অবশ্যম্ভাবী ক্ষুধা ও অপমান
ব্যর্থতা ও অথর্বতা
তবু তুমি মৃত্যু দেখে ভয় পাও
তবু তুমি আত্মহত্যা দেখে প্রশ্ন করো
সরলতা দেখে আমি স্নেহভরে হাসি
সকালে আমার দেহ দেখতে এসো
মৃত ও অতীত
তাই অপ্রাসঙ্গিক
জীবনের চেয়ে খুব কম ভয়াবহ
জীবনে প্রকৃতপক্ষে
মৃত্যুই সর্বশ্রেষ্ঠ আশা।

Aug 20, 2011

গান হয়ে এলে

আমারে যুদি কেউ জিগায় আমার লাইফের সবচাইতে ফেবারিট ৫টা গান কী কী আমি মনেহয় এইটা দিয়া লিস্ট শুরু করুম। আল্লাহ তুমি আমারে এতো খ্যাত করে বানায়লা কেনু কেনু কেনু??

Jul 19, 2011

পুরান লেখা+ নতুন লেখা

পুরান লেখা

অতুল অবনী অমল, আশুতোষ পরিতোষ, নবীন, গোবিন্দ সমুদ্রে বেড়াতে যায়। সেখানে গিয়ে তারা শখ করে আচার খায়। অমল খায়না। অতঃপর তারা সমুদ্রে, স্নানে ব্যস্ত হয়ে যায়। হোটেলে ফিরে অমল স্নানে যায়। অতুল ঘুমিয়ে পড়ে। নবীন অপরিমিত হাসতে থাকে। দেখে সবাই ভাবে আমার না জানি কী হবে। ভাবতে ভাবতে আশুতোষের হ্যালুসিনেশান হয়। তার মাথা থেকে আরেকজন আশুতোষ বের হয়ে আসে। এবং কল্পনা ভাঙার আগেই আশুতোষ১কে মেরে খেয়ে ফেলে। এই ঘটনা বাস্তবে হওয়াতে নবীন পরিতোষ অবনী গোবিন্দ এগুলি দেখতে পায়। তাদের সাথেও তখন একই ঘটনা ঘটে। অমল বাথরুম থেকে বের হয়ে কিছু বুঝতে পারেনা। অতুল স্বপ্ন দেখছিলো তারা সবাই পাহাড়ে ক্রিকেট খেলছে।

Jul 12, 2011

রাতের বেলা দরজার ফাঁকে কবিতার বদলে বিড়ালের মাথা উঁকি দেয়

রাত বাড়লে কবিতারা ভুতের ভয়ের মতো আনাগোনা শুরু করে। উপন্যাসের শেষ পাতাগুলির মতো প্রলুব্ধ করে রাত জাগতে, আলো ফুটলে অফিসের কথা ভাবতে দেয়না। মনেহয় একটু জাগলে দেখতে পাবো তাদের শরীর মুখমণ্ডল, তাদের কথোপকথন, মাথার ভিতর থেকে দৃষ্টির সম্মুখে। ফিস ফিস ফিস। কবিতার বদলে মানুষ দেখলে তুমি আমাকে বলতে সিজোফ্রেনিক। আমি একবার একটি গল্প লিখতে চেয়েছিলাম সেখানে এক ব্যক্তির ঘরের বারান্দা থেকে খুব স্বাভাবিকভাবে এক ব্যক্তি ঘরে এসে ঢোকে। এবং তারা কথা বলে। দুইজনের মধ্যে একজন অপরের কল্পনা। পরে ভেবে দেখলাম হুমায়ুন আহমেদ এরকম কিছু লেখা লিখে গেছেন এবং আমি তা রাত জেগে পড়েছি। অতএব এটি সম্ভবত আমার নিজস্ব কল্পনা হতে পারেনা। তা'হলে এমন হতে পারে তারা দু'জনেই তৃতীয় কোনো ব্যক্তির কল্পনা। বা স্বপ্ন। এমন কথা আমি বইতে পড়েছি আমাদের জগতের কারো স্বপ্ন হওয়ার সম্ভাব্যতার কথা। বা স্বপ্ন/ কল্পনা থেকে ছুটে বের হয়ে যাওয়ার কথা পড়েছি। আমাকে অপশন দিলে আমি ভাবতে পছন্দ করবো আমরা কারো স্বপ্ন। যদি না-ও হই, স্বপ্নের মতোই < অর্থহীন > নয় কি আমাদের অস্তিত্ব? আমি ভাবি জোনাকিদের কথা, তারাদের চেয়ে বেশি উজ্জ্বল ও সজীব। তারাদের সহস্র বৎসরের প্রজ্জ্বলন কি জোনাকির জীবনের চেয়ে বেশি অর্থ বহন করে ইন দ্যা লং রান? তবু পুরানো কথার পুনরুক্তিঃ মানুষ তবু বহন করে হৃদয়বেদনা। একারণে মানুষের চেয়ে বিড়াল বড়ো দার্শনিক হতে পারে। যদিও খাদ্য কোনো কোনো বিড়ালের দার্শনিক হয়ে ওঠার পথে প্রধান অন্তরায়। যেমন আমি অনেক বাড়িতে দেখেছি তাদের বিড়ালটি রান্নাঘর খাবারঘরের এলাকাতেই দিনরাত আছাড় খেয়ে পড়ে থাকে। কিন্তু কিছু কিছু বিড়াল পিকি থাকে খাবার দিয়ে যাদের মন পাওয়া যায়না। যেমন আমার বিড়াল গোপাল :D

Jul 7, 2011

সারস উড়িয়ে দিয়ে

..
বাইরে আকাশ মেঘলা হয়ে আছে
নদীর জল ভিজিয়ে যাবে পা
আজকে তুমি আমাকে বোলোনা
দূরে যাওয়ার কথা।

Jul 6, 2011

রাত জাগার পর

আমাদের ভোরগুলো
আসে
আসে
আসতেই থাকে
আমরা
দেখিনা কোনোদিন
ঘরের সবাই
খুব ঘুম
সব চুপ
বিড়াল পায়ের মতো
গরগরে ভোরগুলো
শৈশব বৃষ্টির মতো
কোমল হয়ে
নেমে আসে।

Jul 3, 2011

নৈশ

অনেক রাতে একটু জোরে জুগুলেইটর চালিয়ে দিলে দরজার ফাঁক দিয়ে ছোট্টো শাদা ভুতের মতো আমার বিড়ালটি উঁকি দেয়। ঠিক তখনি আমি দেখি আমার ব্লগে কালো ভার্চুয়াল বিড়ালটির বুকের ওঠানামা, জীবিত বিড়ালের মতোই দ্রুত ও নিখুঁত। শাদা বিড়ালটি ঘুমাতে চলে যায়। কালো বিড়ালটি আগ্রহ নিয়ে আমার মুখের দিকে তাকিয়ে থাকে। আমিও তার দিকে তাকিয়ে থাকি। শুনতে পাই দূরে কেউ মন্ত্রোচ্চারণের মতো প্রতিশ্রুতি দিতে থাকে, একদিন তোর কথা শুনবে নদী। আসলে আমি ক্যাথেড্রাল স্পায়ারস গতকাল রাতে শুনছিলাম। আজকে শুনছি অর্ণব। প্রথম সাড়ে পাঁচটা বাক্য গতকালকে লেখা। এটি কোনো সাই-ফাই হররের সূচনা ছিলো। আজকে আবার এটি কেবলই একটি আমিত্বপূর্ণ ব্লগ। শাদা বিড়ালটি আজকে আহত ক্লান্ত। আজকে সে আর এসে উঁকি দেবেনা। আজকের রাতটি এতো নিঃশব্দ, একে প্রায় শীতের রাত বলে ভ্রম হয়। রাতের নিস্তব্ধতা যেনো হাত দিয়ে স্পর্শ করা যায়, আহত বিড়ালের দুঃস্বপ্নের মতো কোমল, যেনো কোনো সাদা পাখি এখনি ডানা ছড়িয়ে উড্ডীন হবে। বস্তুত আমি এক নৈশী ব্যক্তি, যদিও সকালে জেগে রাতে ঘুমিয়ে দিন অতিক্রান্ত করি। একাধিক্রমে তিন রাত জাগরণের সুযোগ পেয়ে তরতাজা, চুলের মূলের সাবলীল উকু্নের গতির মতো অনুভব করে যাচ্ছি কিছু অদ্ভুত ইন্সপিরেশান।

Jul 2, 2011

পালক

শহরে জোনাকি জ্বলে না নয়তো
কুড়োতাম সে আগুন নীল হয়তো

আমিনা কাগজ কুড়ায়। মাঝেমাঝে ভিক্ষা করে। মাঝেমাঝে ফলওয়ালা তাদেরকে ঝরা আঙ্গুর খেতে দেয়। আমিনা আঙ্গুর পছন্দ করে। সে কখনও ঢাকার বাইরে যায়নি। আজকে খুব বৃষ্টি। আমিনা এক পঙ্গু ভিক্ষুকের ট্রলিতে শুয়ে বেতফল খাচ্ছে।

Jun 29, 2011

ব্লগ

আমি টুটুলকে বললাম, আমি একটা ব্লগ লিখবো, কী নিয়া লিখবো বলো বলো বলো।