Showing posts with label ড্র্যাফট. Show all posts
Showing posts with label ড্র্যাফট. Show all posts

Mar 13, 2012

একটা গান শুনবেন, প্লিজ?


কিছু মাস আগে আমার দাদি মারা যান। সেই উপলক্ষ্যে আমি গ্রামের বাড়ি যাই, অনেক বছর পর। অনেক পরিবর্তন হয়েছে সর্বত্র। তবে বাড়ির জংলা, ছায়াচ্ছন্ন ভাবটির বদল হয়নি।

Sep 8, 2011

একদিন তোর কথা শুনবে নদী

::
বিষাদ যেনো জল আর আমি যেনো মাটিতে কেবলি একটা শুন্য গহ্বর, কেবল সারারাত শিশির ঝরে আমাকে পূর্ণ করে আর ভোরে তাতে যে সূর্য দেখা যায় তা দেখে তুমি বিভ্রান্ত না হলেই ভালো কারণ জীবন, পদ্যের মতো কোমল নয়।

Sep 2, 2011

কী লিখি তোমায়

কিছু লিখতে অনেক ইচ্ছা করতেসে। কী লিখি? এখন আমার অফিস নাই, পরীক্ষা শেষ পড়াশুনা নাই, সারাদিন ঘুমাই, আর খাই, আর মাঝেমাঝে সিনেমা দেখি, বা দেখিনা।

আমার একটা বিড়াল আছে। জন্মের পর থেকে তার অবশ্য একই রুটিন। খায় ঘুমায়। অবশ্য মাঝেমাঝে বাইরে গেলে মাঝেমাঝে রাস্তার বিড়াল এবং উৎকট মানুষজনের হাতে মাইর খেয়ে আসে।

মাইর খাওয়া বাদ দিলে আমি এখন বিড়াল লাইফ লিড করতেসি। বাইরে যাইনা তাই মাইর খাইনা। ভালৈ।

Jul 12, 2011

রাতের বেলা দরজার ফাঁকে কবিতার বদলে বিড়ালের মাথা উঁকি দেয়

রাত বাড়লে কবিতারা ভুতের ভয়ের মতো আনাগোনা শুরু করে। উপন্যাসের শেষ পাতাগুলির মতো প্রলুব্ধ করে রাত জাগতে, আলো ফুটলে অফিসের কথা ভাবতে দেয়না। মনেহয় একটু জাগলে দেখতে পাবো তাদের শরীর মুখমণ্ডল, তাদের কথোপকথন, মাথার ভিতর থেকে দৃষ্টির সম্মুখে। ফিস ফিস ফিস। কবিতার বদলে মানুষ দেখলে তুমি আমাকে বলতে সিজোফ্রেনিক। আমি একবার একটি গল্প লিখতে চেয়েছিলাম সেখানে এক ব্যক্তির ঘরের বারান্দা থেকে খুব স্বাভাবিকভাবে এক ব্যক্তি ঘরে এসে ঢোকে। এবং তারা কথা বলে। দুইজনের মধ্যে একজন অপরের কল্পনা। পরে ভেবে দেখলাম হুমায়ুন আহমেদ এরকম কিছু লেখা লিখে গেছেন এবং আমি তা রাত জেগে পড়েছি। অতএব এটি সম্ভবত আমার নিজস্ব কল্পনা হতে পারেনা। তা'হলে এমন হতে পারে তারা দু'জনেই তৃতীয় কোনো ব্যক্তির কল্পনা। বা স্বপ্ন। এমন কথা আমি বইতে পড়েছি আমাদের জগতের কারো স্বপ্ন হওয়ার সম্ভাব্যতার কথা। বা স্বপ্ন/ কল্পনা থেকে ছুটে বের হয়ে যাওয়ার কথা পড়েছি। আমাকে অপশন দিলে আমি ভাবতে পছন্দ করবো আমরা কারো স্বপ্ন। যদি না-ও হই, স্বপ্নের মতোই < অর্থহীন > নয় কি আমাদের অস্তিত্ব? আমি ভাবি জোনাকিদের কথা, তারাদের চেয়ে বেশি উজ্জ্বল ও সজীব। তারাদের সহস্র বৎসরের প্রজ্জ্বলন কি জোনাকির জীবনের চেয়ে বেশি অর্থ বহন করে ইন দ্যা লং রান? তবু পুরানো কথার পুনরুক্তিঃ মানুষ তবু বহন করে হৃদয়বেদনা। একারণে মানুষের চেয়ে বিড়াল বড়ো দার্শনিক হতে পারে। যদিও খাদ্য কোনো কোনো বিড়ালের দার্শনিক হয়ে ওঠার পথে প্রধান অন্তরায়। যেমন আমি অনেক বাড়িতে দেখেছি তাদের বিড়ালটি রান্নাঘর খাবারঘরের এলাকাতেই দিনরাত আছাড় খেয়ে পড়ে থাকে। কিন্তু কিছু কিছু বিড়াল পিকি থাকে খাবার দিয়ে যাদের মন পাওয়া যায়না। যেমন আমার বিড়াল গোপাল :D

Jul 7, 2011

সারস উড়িয়ে দিয়ে

..
বাইরে আকাশ মেঘলা হয়ে আছে
নদীর জল ভিজিয়ে যাবে পা
আজকে তুমি আমাকে বোলোনা
দূরে যাওয়ার কথা।

Jul 3, 2011

নৈশ

অনেক রাতে একটু জোরে জুগুলেইটর চালিয়ে দিলে দরজার ফাঁক দিয়ে ছোট্টো শাদা ভুতের মতো আমার বিড়ালটি উঁকি দেয়। ঠিক তখনি আমি দেখি আমার ব্লগে কালো ভার্চুয়াল বিড়ালটির বুকের ওঠানামা, জীবিত বিড়ালের মতোই দ্রুত ও নিখুঁত। শাদা বিড়ালটি ঘুমাতে চলে যায়। কালো বিড়ালটি আগ্রহ নিয়ে আমার মুখের দিকে তাকিয়ে থাকে। আমিও তার দিকে তাকিয়ে থাকি। শুনতে পাই দূরে কেউ মন্ত্রোচ্চারণের মতো প্রতিশ্রুতি দিতে থাকে, একদিন তোর কথা শুনবে নদী। আসলে আমি ক্যাথেড্রাল স্পায়ারস গতকাল রাতে শুনছিলাম। আজকে শুনছি অর্ণব। প্রথম সাড়ে পাঁচটা বাক্য গতকালকে লেখা। এটি কোনো সাই-ফাই হররের সূচনা ছিলো। আজকে আবার এটি কেবলই একটি আমিত্বপূর্ণ ব্লগ। শাদা বিড়ালটি আজকে আহত ক্লান্ত। আজকে সে আর এসে উঁকি দেবেনা। আজকের রাতটি এতো নিঃশব্দ, একে প্রায় শীতের রাত বলে ভ্রম হয়। রাতের নিস্তব্ধতা যেনো হাত দিয়ে স্পর্শ করা যায়, আহত বিড়ালের দুঃস্বপ্নের মতো কোমল, যেনো কোনো সাদা পাখি এখনি ডানা ছড়িয়ে উড্ডীন হবে। বস্তুত আমি এক নৈশী ব্যক্তি, যদিও সকালে জেগে রাতে ঘুমিয়ে দিন অতিক্রান্ত করি। একাধিক্রমে তিন রাত জাগরণের সুযোগ পেয়ে তরতাজা, চুলের মূলের সাবলীল উকু্নের গতির মতো অনুভব করে যাচ্ছি কিছু অদ্ভুত ইন্সপিরেশান।

Jun 29, 2011

ব্লগ

আমি টুটুলকে বললাম, আমি একটা ব্লগ লিখবো, কী নিয়া লিখবো বলো বলো বলো।

Jun 26, 2011

জুলাই

আপচুস আমরা গানগুলিকে কথায় লিখতে পারিনা এবং রঙগুলিকে কানে শুনতে পারিনা এবং যদিও শব্দগুলিকে মাঝেমাঝে চোখে দেখতে পারি বলে আমি জলের শব্দ শুনি এবং ভাবি সমুদ্রে দূরের জলে তিমির দল যদিও তা আমি তোমাকে কথায় লিখে বোঝাতে পারবোনা কিন্তু মাথার ভিতরে কেবলি তিমিরা ছুঁড়ে দেয় জলের ফোয়ারা এবং তা এই রাতের অন্ধকারের পটভূমিতে নীলাভ আলোর আতশবাজিতে বিচ্ছুরিত হয় কিন্তু এই সেলিব্রেশান আমার নিঃসঙ্গ নিজস্ব আমি তা কারো কাছে পৌঁছে দিতে পারিনা কারণ আমরা দূরের কোনো অচেনা শহরে জানালায় ফুলের পাহারায় বৃষ্টিবন্দী হয়ে নেই।

masochistmimes

Feb 23, 2011

আমার বিদেশি বন্ধুরা

আমার বন্ধু আসছে বিদেশ থিকা সাড়ে তিন বছর পর। আওনের পর আমারে কল দিয়া কয় আজকা পয়লা ফাল্গুন তর লগে ঘুরতে যামু। আমি কইলাম উত্তম প্রস্তাব দেখি অফিসে ট্রাই করি। তারপরে একটা মিটিঙে চইলা গেলাম বসের পিছে পিছে। সেলসের লগে মিটিঙে গেলে যা হয় একটা কথা দশবার কইরা বুঝাইতে হয় আর ২ ঘন্টার মিটিঙ ৫ ঘন্টায়ও আর শেষ হয়না। বন্ধু ১৫/২০ মিনিট পর পর ফোন দেয় আর কাউঠা গলায় জিগায় তুই কই। কই মিটিঙে আর সে আচ্ছা বইলা খটাস কইরা ফোন রাইখা দেয়। মিটিঙ শেষে আমি বান্ধবীর সাথে ঘুরতে চলে গেলাম ফোন বন্ধ করে।

Feb 16, 2011

Random

আজকে পড়লাম কুলায় কালস্রোত। লেখক শওকত আলী। ১৯৭৭ সালে সাপ্তাহিক বিচিত্রার ঈদ সংখ্যায় বের হয়েছিলো। আমি কিনেছি মুক্তধারা থেকে ১৬ টাকা দিয়ে।

Oct 8, 2010

আজকে কেমন বৃষ্টি বৃষ্টি বৃষ্টি, দেখছো?

অদ্ভুত বৃষ্টিরা নেমে আসে আকাশে
জাহাজের ছবিগুলি দুলে ওঠে দেয়ালে।

May 3, 2010

পাখি

আজকে অফিসে মেয়েদের টয়লেটের ভিতরে আটকা পড়েছিলো একটা চড়াই। আমি অনেকক্ষণ ধরে তার কাছে বসে থাকলাম। তারপরে সে শান্তভাবে আমাকে তার গায়ে স্পর্শ করতে দিলো। তারপরে আমি তাকে জানালা দিয়ে ছেড়ে দিলাম। একটা চড়াইয়ের বিশ্বাস অর্জন করাও কতো সহজ, এখনও।

Mar 23, 2010

দশ বছরের পুরোনো ডাইরি

এ বছরও এমনি করে চলে যাবে
দেখতে দেখতে চলে যাবে পরের বছর
কেনা হবে অনেক জামা, নতুন জুতো
গড়িয়ে যাবে হাতের সুতো
কিংবা তারা কোনোদিনই ছিলো না যে হাতের ভিতর

Feb 24, 2010

Fancy

::
গত রাতের অন্ধকারের মতো
জড়িয়ে আছি তোমার অতীতে
অথচ মৃত কিছু সত্য হয়না।

::
কবিতা যেনো জল
সারাদিন সরোবরে আঙুল ভেজাই, জল ভাঙি
একদিন এক ফোঁটা ঠিক তুলে নেবো

::
নদীর কাছে ঘাস হয়ে শুয়ে থাকতে চাই

::
কৃষ্ণচূড়া ফুটলোনা আর এবার
যদিও নতুন বন্ধু পাওয়া গেছে

::
টুকরো টুকরো ডুবো পাথর
ডুবে থাকে স্মৃতির পাথারে

এ্যালবাম

ইমিনিমা থাকে এক অদ্ভুত জগতে। তার নদী ঢেউ তোলে লালরং সাগরে। তার পথ শেষ হয় ঝাউবন স্টেশনে।

Nov 11, 2009

একা

আমারও খুব ইচ্ছে করে
হাঁটি-- সন্ধ্যা মুছে, অন্ধকারে
চাঁদকে নামাই লেবুগাছের ছাদে
নতুন জামার বিকেল বেলার কৃষ্ণচূড়া
রঙ এঁকে নিই আলপনা দেই হাতে

Nov 6, 2009

দুপুরের গল্প

তোমার তো অনেক জামা আছে
আমার মোটেই বেশি জামা নাই। অন্যদের আরও অনেক বেশি থাকে

Oct 28, 2009

নিসময়

..
কুয়াশার জল যায় বলে
সেই তো যেতেই হবে চলে
পুরোনো এ পথ মুছে যাবে
ফেরা তো হবে না কোনো কালে


..
তবু সেই পথ সাথে চলে
পুরোনো হারানো পথ
দেখবো না আর তবু
কার ছায়া নাড়া দেয় স্বপ্নের জলে


..
কুয়াশায় সব পথ হারালে আড়ালে
জানলাম হারিয়েছে সকল ঠিকানা
ল্যাম্পপোস্ট দেখে ভাবি এ ই বাতিঘর
কাকে যেনো ডেকে নিলো তোমার বিছানা।


..
কুয়াশার জলে ভিজছে এখন চুল
দীর্ঘ রাতের ডানা থেকে দেখো ঝরে
হারানো স্মৃতির ধূসর বেগুনি পালক
আজ রাতে কেউ কোথাও যাবে না ফিরে

Jun 25, 2009

থাকে শুধু অন্ধকার

দশ মিনিট পরে বের হয়ে যেতে হবে। মিডিয়া প্লেয়ার শোনাচ্ছে বিল ডগলাসের সুইট রেইন। দশ মিনিট পরে বের হয়ে যাবো। এশিয়াটিকের অফিসে যেতে হবে। গান রিপিট দিয়ে রেখেছি। চোখ বন্ধ করে ছিলাম। চেয়ারে হেলান দিয়ে, কম্পিউটারের কেসিংয়ে পা তুলে দিয়ে। আমার চেয়ারটা পেছনে অনেকখানি হেলে। খুব আরাম। এখনও লিখছি হেলান দিয়ে। শুনছি সুইট রেইন। বাইরে বৃষ্টি কি না জানিনা। একটু পরেই জানবো। পার্লার থেকে এসেছি। ভুরু তোলার পরে ওরা ঠান্ডা জলে টিস্যু ভিজিয়ে, খুব সুন্দর করে চোখ মুখ মুছিয়ে দেয়। আরাম। একটু পরে হাত মুখ ধুয়ে বের হবো। কেন হার্ট বের করে ধুয়ে ফেলা যায়না? বাইরের এতো ময়লা, ধুলোবালি কি আমাদের হৃদয়-- হৃৎপিণ্ডে কিছু পৌঁছায় না? আর ফুসফুস? যকৃৎ? আরও জানিনা কী কী আছে, শরীরের ভেতরে। আমি দেখিনি কখনও। এগুলো কেন রোজ বের করে পরিষ্কার ঠান্ডা জলে রগড়ে রগড়ে ধুতে পারিনা? ভালো লাগতো হয়তো তাহলে। চোখ বন্ধ করতে চোখের ভেতরে ফ্ল্যাশ জ্বলে-- শুওরের বাচ্চা। চোখ বের করে চোখের পেছনটা ধুয়ে ফেলা যায়না? ধুয়ে ফেলা যায়না নোকিয়া মোবাইল ফোন? মিডিয়া প্লেয়ারের বৃষ্টি যদি হৃদয়কে ভেজায় তাহলে হৃৎপিণ্ডে ফুসফুসে এতো শুষ্কতা, এতো বালি কেন? কান থেকে কেন সারাদিনের শব্দ ধুয়ে ফেলা যায়না?