Showing posts with label ছবির লেখা. Show all posts
Showing posts with label ছবির লেখা. Show all posts

Jun 26, 2011

জুলাই

আপচুস আমরা গানগুলিকে কথায় লিখতে পারিনা এবং রঙগুলিকে কানে শুনতে পারিনা এবং যদিও শব্দগুলিকে মাঝেমাঝে চোখে দেখতে পারি বলে আমি জলের শব্দ শুনি এবং ভাবি সমুদ্রে দূরের জলে তিমির দল যদিও তা আমি তোমাকে কথায় লিখে বোঝাতে পারবোনা কিন্তু মাথার ভিতরে কেবলি তিমিরা ছুঁড়ে দেয় জলের ফোয়ারা এবং তা এই রাতের অন্ধকারের পটভূমিতে নীলাভ আলোর আতশবাজিতে বিচ্ছুরিত হয় কিন্তু এই সেলিব্রেশান আমার নিঃসঙ্গ নিজস্ব আমি তা কারো কাছে পৌঁছে দিতে পারিনা কারণ আমরা দূরের কোনো অচেনা শহরে জানালায় ফুলের পাহারায় বৃষ্টিবন্দী হয়ে নেই।

masochistmimes

Aug 31, 2008

বনে


আবার যেদিন সেই সে বনের পথে
দুপুরবেলায় আবার দেখা হবে
জলের তীরে ঘুমিয়ে আছে ছায়া
একটি পাখি ডাকছে ধীরে ধীরে

Jan 9, 2008

২০০৮

আমার ইউনিভার্সিটি জীবন শেষ হতে আর এক মাসও নেই। তুমি খুশি হবে, আমরা আর কোথাও থাকবোনা।

আমাদের ইন্সটিটিউটে ঢোকার মুখে যেই বিশাল কড়ই গাছটা, সে প্রচুর ফুল ফুটিয়েছিলো। আমি একটা ফুল কুড়িয়ে তোমার হাতে তুলে দিলাম। তুমি প্রশ্ন করলে, কী হবে এ দিয়ে? আমি বললাম, চোখ বন্ধ করো? তোমার হাতে আস্তে করে ফুলটা স্পর্শ করলাম। তুমি বললে, রেমিনিসেন্ট।

আমি রেমিনিসেন্ট মানে জানিনা। শহীদুজ্জামান স্যারের রিক্সা আসলো, আমরা ক্লাসে দৌড়।

ক্লাসের পর করিডরে বের হয়ে জিজ্ঞেস করলাম, রেমিনিসেন্ট মানে কি? এবার তুমিই যেন লজ্জা পেলে। একটু সময় নিয়ে বললে, এর স্পর্শ, অন্য কারো স্পর্শের কথা মনে করিয়ে দেয়।

সেই গাছটা কেটে ফেলেছে। তার ছায়ায় দাঁড়ালে মাথায় বৃষ্টি পড়তোনা। গাছের কাছে গাছ হয়ে, পাখির কাছে পাখি হয়ে আমরা তোমার কথা বলতাম। তাদেরকে তো আর কোনোদিন খুঁজে পাবোনা।

Dec 31, 2007

বছর শেষে

অক্টোবর মাসে পুজার ছুটিতে বাড়ি গিয়েছিলাম। তখন অনেক ছবি তুলেছি। আনাড়ি হাতে নতুন ক্যামেরা, তাই বেশিরভাগ ছবিই নষ্ট হয়েছে। বেশিরভাগ তুলেছি গাছপালা, নদীর ছবি। মানুষের ছবিও তুলেছি অল্পবিস্তর।



এই ছবি পিরোজপুরের বলেশ্বরে নৌকা করে যেতে যেতে তোলা। এই সাঁকোটি খুব সম্ভবত আর ওখানে নেই। কে জানে এই ছেলেটি সুস্থ শরীরে নতুন বছর দেখছে কীনা।